Thursday, February 27, 2014

ধর্ষণ আটকাতে বিশেষ অন্তর্বাস তৈরি হল, টেনে খোলা খুবই কঠিন!

সারা পৃথিবী জুড়েই ধর্ষণের ঘটনা ক্রমবর্ধমান। এই পরিস্থিতিতে ধর্ষণ মোকাবিলায় এক বিশেষ ধরনের অন্তর্বাস তৈরি করল আমেরিকার একটি কোম্পানি।
তাদের দাবি, ওই বিশেষ অন্তর্বাস মহিলাদের ওপর যৌন আক্রমণ আটকাতে সক্ষম হবে। আর এর ফলে মহিলারা অনেক বেশি নিরাপদ বোধ করবেন নিজেদের।
এক ধরনের বিশেষ কাপড় দিয়ে এই পোশাক তৈরি করা হয়েছে, যার নাম ‘ধর্ষণ-রোধী অন্তর্বাস’। যে কাপড় দিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে তা সহজে ছেঁড়া বা খোলা যায় না।
এই অন্তর্বাস প্রস্তুতকারক সংস্থা এআই উইআর-এর দাবি, মহিলারা তাঁদের ওপর যৌন আক্রমণ ঠেকানোর ক্ষেত্রে বর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।
এই শর্টস কাম অন্তর্বাসটি কোমরবন্ধনীর সঙ্গে এমনভাবে আটকে থাকে যা টেনে খোলা খুবই কঠিন কাজ। প্রয়োজন অনুসারে উরুর সঠিকস্থানে বেছে ব্যবহারকারীরা তা লক করে নিতে পারবেন।
উরু বা থাই-এর কাছে একবার লক লাগানো হয়ে গেলে অন্তর্বাসটিকে আর খোলা তো দুরের কথা সরানোও সম্ভব হবে না। কোমরের কাছেও থাকছে একই ধরনের লক করার ব্যবস্থা। নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনেই তা খোলা সম্ভব।

Tuesday, February 25, 2014

তৃতীয় স্ত্রী মিতার সঙ্গে এরশাদের সংসার?

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ তৃতীয় বিয়ে করেছেন। তার নতুন স্ত্রীর নাম মিতা।’ গত ২০০৯ সালের মাঝামাঝি এ রকম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকা।
নয়া দিগন্তের প্রতিবেদন পড়ে এরশাদ ‘ক্ষুব্ধ’ হয়ে উঠেন। এ প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য পত্রিকাটির বিরুদ্ধে তখন এরশাদের পক্ষে মামলাও করেন জাতীয় পার্টির এক নেতা।

নয়া দিগন্তের ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর ঢাকার বনানীতে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রিয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এরশাদ দাবি করেন, ‘নয়া দিগন্ত বানোয়াট গল্প ছাপিয়েছে আমার বিরুদ্ধে। আমার নতুন করে বিয়ের খবর মিথ্যে।’

সংবাদ সম্মেলনে সাবেক স্বৈরশাসক এরশাদের করা ‘দাবি’ পরদিন পত্রিকায় ছাপা হয়। তা দেখে এরশাদের সাবেক দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা প্রতিক্রিয়া জানান। প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছিলেন, ‘এরশাদ ঢাহা মিথ্যেবাজ। তিনি আমাকে বিয়ে করার পরও প্রথম কয়েক বছর এমন কথাই বলতেন যে, বিয়ে করেননি।’

এ নিয়ে তখন দেশিয় গণমাধ্যমে মুখরোচক নানা আলোচনা, সমালোচনা চলতে থাকে। নারীকামী এরশাদ দেশের রাজনীতিতে ডিগবাজির শ্রেষ্ঠ নায়কও। রাজনীতি নিয়ে তার ডিগবাজি চলতে থাকে। একের পর এক ডিগবাজির ঘটনার ভিড়ে গণমাধ্যমের কাছে চাপা পড়ে যায় তার তৃতীয় বিয়ের প্রসঙ্গটি। জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেকে তা ভুলেও যান।

গত ৫ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জাতীয় পার্টির অনেক নেতা আসেন এরশাদের ঢাকার বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের বাড়িতে। ওই বাড়িতে তারা একটিবারের জন্যও দেখেননি এরশাদের প্রথম স্ত্রী রওশনকে। এর থেকে দলের নেতাদের মধ্যে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রওশন নন, অন্য একজনকে নিয়ে এরশাদ এখন সংসার করছেন!


গত প্রায় পাঁচ দশক ধরে টিকে আছে এরশাদ, রওশনের দাম্পত্য জীবন। রওশন কখনোই স্বামীর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস করেছেন, এমন কোনো নজির নেই। রাষ্ট্রপতি থাকাকালে এরশাদের পরকীয়া কাহিনী দেশ, বিদেশে জানাজানি হয়। এ নিয়ে রওশন কোনোদিন একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি স্বামীর বিরুদ্ধে। বিদিশাকে বিয়ে করা, অন্যান্য ভক্ত নারীদের সান্নিধ্য, তাদের সঙ্গে এরশাদের সেক্স কাহিনী, সব চোখ বুজে সহ্য করেছেন তিনি। সেই রওশন নেই এরশাদের সঙ্গে!
জাতীয় পার্টির শীর্ষ পর্যায়ের দুই নেতা প্রিয় দেশ ডটনেটকে জানান, গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলন করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন এরশাদ। এরপর গত ১২ ডিসেম্বর রাতে তাকে ‘চিকিৎসার’ জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেয়া হয়। এক মাস তিনি ‘হাসপাতালের বিছানা’য় থাকলেও তার পাশে রওশন ছিলেন না। একদিন মাত্র ঘণ্টাখানেকের জন্য তাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন রওশন।

জাতীয় পার্টির নেতারা জানতে পারেন, গত কয়েক বছর ধরে রওশন আলাদা থাকছেন। শেষ বয়সে এসে সতীনের সঙ্গে সংসার করার বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি বলেই তিনি আলাদা আছেন। কয়েক নেতার দাবি, প্রেসিডেন্ট পার্কের বাড়িতে তারা মিতাকে দেখেছেন। তবু তাদের প্রশ্ন, এরশাদ কি এখন তৃতীয় স্ত্রী মিতার সঙ্গে সংসার করছেন?

Sunday, February 23, 2014

এসএসসির গণিতের প্রশ্ন ফাঁস!

এসএসসি পরীক্ষার গণিতের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সারা দেশে আজ ওই পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এর আগেই প্রশ্নটি ফাঁস করেছে একটি চক্র। বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে প্রশ্ন। ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। গণিতের ওই ফাঁস হওয়া প্রশ্ন পেতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। হাতে লেখা কপি ও মোবাইল ফোনে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে। তবে ঢাকা বোর্ড বলেছে, প্রশ্নফাঁসের কোন অভিযোগ আমরা পাইনি। সূত্র জানিয়েছে, একটি চক্র গত কয়েকটি পরীক্ষার প্রশ্নও ফাঁস করেছে একই কৌশলে।  সেখান থেকে হুবহু কমন পড়ারও নিশ্চয়তা দেয়া হচ্ছে। গণিতের বিভিন্ন বোর্ডে বিভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা হবে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সব বোর্ডেই প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। মানবজমিন-এর কাছেও ঢাকা বোর্ডের একটি প্রশ্ন এসেছে। তাতে যেসব প্রশ্ন  দেয়া হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে অনুশীলনী ১.১ এর ৩(২) এবং ১০ (৪) নম্বর অঙ্ক। অনুশীলনী ১.২ এর ৭ নম্বর এবং উদাহরণ ১১ । অনুশীলনী ২ এর রুট ৫ এবং উদাহরণ ৭। অনুশীলনী ৩.১ এর ১০ এবং ১৩ নম্বর অঙ্ক। অনুশীলনী ৩.২ এর ১১ এবং ১০ নম্বর অঙ্ক। অনুশীলনী ৩.৭ এর ১১ এবং ১০ নম্বর অঙ্ক। অনুশীলনী ৩.৮ এর ১১ নম্বর অঙ্ক। অনুশীলনী ৪.১ এর ৯, ৮ এবং ১৫ নম্বর অঙ্ক। অনুশীলনী ৪.৩ এর ৭ (৪) নম্বর অঙ্ক। অনুশীলনী ৫.২ এর ১৬ এবং ১৯ নম্বর অঙ্ক। অনুশীলনী ৬.১ এর ৮ এবং ১৩ নম্বর অঙ্ক। অনুশীলনী ৬.৫ এর ১০ এবং উদাহরণ ১৬। সূত্র জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে প্রশ্নটি সাজেশন আকারে ফাঁস করা হয়েছে। কয়েকটি কোচিং সেন্টার মূলত এ অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষাঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় প্রশ্ন ফাঁস। এর আগে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (জেএসসি), জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (জেডিসি) এবং প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ছিল। তদন্তে তা প্রমাণিতও হয়। এছাড়া প্রাথমিক স্কুলে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র হুবহু ফাঁস হওয়ায় কয়েকটি জেলার পরীক্ষা বাতিল করা হয়। ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, প্রশ্নফাঁসের কোন অভিযোগ আমরা পাইনি। কোন চক্র এ ধরনের কাজ করে থাকলে তার ব্যবস্থা নেয়ার দায়িত্ব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর। সব জেলা প্রশাসককে এ বিষয়ে দিক-নির্দেশনা দেয়া আছে। ৯ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৩২ হাজার ৭২৭ জন। এর মধ্যে সাত লাখ ৩৩ হাজার ২০২ জন ছাত্র এবং ছয় লাখ ৯৯ হাজার ৫২৫ জন ছাত্রী। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা  বেড়েছে এক লাখ ২৯ হাজার ৫৫৪ জন। গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ তিন হাজার ২০৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। আগামী ২২শে মার্চ পর্যন্ত তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা হবে। আর ২৩ থেকে ২৭শে মার্চের মধ্যে  শেষ করতে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

Saturday, February 22, 2014

মানব-কুমির!

গ্রিক উপকথায় স্যান্টর নামে এক দেবতার কথা পাওয়া যায়। এর শরীরের অর্ধেক মানুষ অর্ধেক ঘোড়া। সর্পমানবী মেডুসা, মানব-ছাগল ফাউন এমন অনেক চরিত্র গ্রিক উপকথায় আছে।
কিন্তু মিশর, তুরস্ক থেকে যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত একটি সাধারণ উপকথার কথা হয়ত সবাই জানে না। এই অঞ্চলে কুমির-মানব বা মানব-কুমিরের গল্প প্রচলিত আছে।

১৯৯২ সালে তুরস্কের প্রত্নতত্ত্ববিদেরা ঘোষণা দেন, ইস্তাম্বুলের বিখ্যাত টপকাপি প্রাসাদের ভল্টে পাওয়া গেছে একটি অদ্ভূত প্রাচীন মিশরীয় মমি। একটি পুরনো সিন্দুকে এই মমিটি রক্ষিত ছিল। মমিটি খুলতেই বেরিয়ে আসে এক অদ্ভূত প্রাণী। এর উপরের অংশ এক কিশোর বালকের এবং নিচের অংশ কুমিরের। এই রহস্যের কিনারা এখনও হয়নি।

কিছু কিছু গবেষক দাবি করেন, কুমির ওই বালকটির অর্ধেক অংশ খেয়ে ফেলেছে। পরবর্তীতে তার বাবা-মা ছেলের স্মৃতি রক্ষার উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ কৌশলের আশ্রয় নেন। তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী, একটি কুমির মেরে নিচের অংশ বালকটির উপরের অংশের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়া হয়।

প্রাচীন মিশরে ছিল কুমির দেবতা। ধারণা করা হয়, সিবেকের প্রার্থনাকারীরা এমন একটি মূর্তি তৈরি করেছিল। ওই কুমির দেবতা ছিল নদী ও হ্রদের দেবতা। অথবা এমনও হতে পারে প্রদর্শনীতে টাকা উপার্জন করার জন্য এটি তৈরি করা হয়েছে প্রতারণার ধান্দায়।

দানবের এমন বিশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রেও প্রচলিত আছে। এমন একটি হচ্ছে জ্যাক দ্য অ্যালিগেটর। এতে আছে নিচের অংশ কুমির এবং উপরের অংশ বানরের। ওয়াশিংটনের লং-বিচের ৪০৯ সাউথ প্যাসিফিক অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত মার্শেস ফ্রি মিউজিয়ামে এটি রক্ষিত আছে। একটি এনটিক স্টোর থেকে মার্শেস এটি ১৯৬৭ সালে ৭৫০ ডলারে কিনে নেন।

১৯৯৩ সালের ৯ নভেম্বর সাপ্তাহিক ওয়ার্ল্ড নিউজ সাময়িকীতে প্রথম পাতায় এর একটি ছবিসহ লেখা প্রকাশিত হয়। শিরোনাম দেয়া হয়, ‘ফ্লোরিডার একটি জলাশয়ে অর্ধেক মানুষ অর্ধেক কুমির আকৃতির প্রাণী পাওয়া গেছে’। পরবর্তী সংখ্যায় লেখা হয়, এই অদ্ভূত প্রাণীটি নাকি ছাড়া পেয়ে মিয়ামিতে এক ব্যক্তিকে মেরে ফেলেছে। শুধু তা-ই নয় বাচ্চাও নাকি প্রসব করেছে!

জ্যাক দ্য অ্যালিগেটর নিয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রথা যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চলের মানুষের সংস্কৃতিতে লক্ষ্য করা যায়। এই আকৃতির প্রাণীটির প্রতিকৃতি ওয়াশিংটন এবং অরেগনে অহরহ চোখে পড়ে।

Friday, February 21, 2014

আচ্ছা, সাকিব কি ছাত্রলীগ করেন?’(ভিডিও )

‘আচ্ছা, সাকিব কি ছাত্রলীগ করেন?’- মিনার রশীদ তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রশ্নটি করেছেন। তিনি তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, প্রশ্নটি মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিল। কার কাছে জিজ্ঞেস করি, ভেবে পাচ্ছিলাম না। শেষমেষ ফেসবুকেই প্রশ্নটি রাখলাম।
কারন কিছুদিন আগে ছাত্রলীগের এক কর্মী গণতন্ত্রের জন্যে সংগ্রামরত আইনজীবীদের দিকে ফোকাস করে সেই একই জিনিস প্রদর্শন করেছিল। এক হাতে তার গর্বের সেই অঙ্গ এবং অন্য হাতে ছিল আমাদের গৌরবের পতাকা। পত্রিকায় স্পষ্ট ছবিটি আসলেও বলিষ্ঠ অঙ্গের গর্বিত সেই অধিকারীর কিছুই হয় নি।

তবে ঘটনাবহুল সেই ২৯শে ডিসেম্বরের আগে আওয়ামী নেতা মায়া হুমকি দিয়েছিলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত এই পতাকার কোন অবমাননা করলে দেখে নেয়া হবে।’
কাজেই একই কাজ বিএনপি জামায়াত করলে খবর হয়ে যেতো। ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া কমপক্ষে এক মাস একই ছবি ইনিয়ে বিনিয়ে প্রদর্শন করতো। শাহবাগীরা গর্জে ওঠত। লাকীরা আকাশের দিকে তাকিয়ে শ্লোগান দিতেন। কাজেই ঐ প্রদর্শক কোনভাবে বেঁচে থাকলেও তার ঐ অঙ্গ কোনরূপ অপারেশন ব্যাতিতই উধাও হয়ে যেত।কাজেই ছাত্রলীগ করলে সাকিবের ভয়ের কিছু নেই। না করলে নিশ্চয় খবর আছে।


Wednesday, February 12, 2014

নাইজেরিয়ার রেস্টুরেন্টে মানুষের মাংসের খাবার বিক্রি!

নাইজেরিয়ার এক রেস্টুরেন্টে মানুষের মাংস দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাবার বিক্রি করার দায়ে মালিকসহ ১১ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া পুলিশ আনামবারা এলাকার ওই রেস্টুরেন্টে তল্লাসি চালিয়ে কমপক্ষে দুটি মানুষের মাথা খুঁজে পায়। বুধবার ডেইলি মিরর পত্রিকায় এ খবর প্রকাশিত হয়েছে।
 
পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়, রক্তাক্ত মাথা দুটি একটি কাগজ দিয়ে মোড়ানো ছিল। পুলিশ বলছে, তেলে ভেজে আলাদা খাবার তৈরি করার জন্যই  মাথা দুটি রাখা হয়েছিল। এছাড়া খাবারের দোকানটি থেকে দুটি একে রাইফেল, আগ্নেয়াস্ত্র, কয়েক ডজন গোলা বারুদ এবং বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, রেস্টুরেন্টটিতে সবসময় রহস্যজনক মানুষদের আনাগোনা ছিল।
 
স্থানীয় এক যাজক খাবার খেতে ওই দোকানে ঢুকলে তাকে মানুষের মাংস দিয়ে তৈরি খাবার পরিবেশন করা হয় বলে তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ওই দোকানটিতে অভিযান চালায়।
 
ওই যাজক স্থানীয় ‘ইওর জিউস নিউজ’ পত্রিকাকে বলেন,‘ খাওয়া-দাওয়ার পর ওরা আমাকে বিল দিল। বিল দেখে তো আমার মাথায় হাত! আমি তখন এক কর্মচারীকে এত বেশি বিল হওয়ার কারণ জানতে চাইলাম। জবাবে সে জানায়, আমাকে মানুষের মাংস দেয়া হয়েছে। তার কথা শুনে আমি তো তাজ্জব হয়ে গেলাম।’ এ কথা জানার পর তিনি সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে থানায় যান এবং ওই রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
 
তবে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ কীভাবে মানুষের মাংস যোগাড় করতেন এ বিষয়ে ‘ডেইলি মিরর’ কিছু জানায়নি।

Monday, February 10, 2014

আলু নিয়ে মতিয়ার ‘বয়ান’


আলুর দাম পড়ে যাওয়াকে সাময়িক মনে করলেও কিভাবে সমস্যা উত্তরণ করা হবে, তা নিয়ে স্পষ্ট কিছুই বলেননি কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।
সোমবার সংসদে নূরল ইসলাম মিলন জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর মনোযোগ আকর্ষণের এক নোটিসে বলেন, ত্রুটিপূর্ণ বিপণন ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত সংরক্ষণাগার না থাকা এবং প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের অভাবে দেশের আলু চাষিরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
তিনি আলু বর্তমান জটিলতার অবসানে রপ্তানির পক্ষে মত প্রকাশ করেন।
চলতি অধিবেশনে এর আগেও কয়েক দিন আলুর দাম নিয়ে কথা বলার পর সোমবার নোটিসের পর নাতিদীর্ঘ বক্তব্য দেন কৃষিমন্ত্রী।
আলুর দাম কমে যাওয়ায় রাস্তায় আলু ফেলে প্রতিবাদ জানান উত্তরবঙ্গের চাষিরা। মন্ত্রীর আশ্বাসের পরেও বাড়েনি আলুর দাম। আলু সংরক্ষণে নতুন করে কোনো উদ্যোগও নেয়নি সরকার।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, গত বছরের মে মাসে ঢাকায় হেফাজতে ইসলামীর সমাবেশ এবং জানুয়ারিতে বিরোধী দলের হরতাল-অবরোধের পর থেকে আলু পরিবহনে সমস্যা দেখা দেয়।
“ঢাকা, মেট্রোপলিটন শহরের হোটেল, ছাত্রাবাস বন্ধ থাকায় ভোক্তা পর্যায়ে আলুর ব্যবহার হ্রাস পায়। আলুর চপ, মাংসের সঙ্গে আলু, খাসির মাংসে আলু, বিরিয়ানীতে, বিয়ে বাড়িতে এবং লাবড়ায় আলুর ব্যবহার কমে যায়।”
ঢাকায় দুই কোটি লোক থাকে দাবি করে মতিয়া বলেন, “৫০ লাখ মানুষ যদি আলু না খায়, কী অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে?”
উত্তরাঞ্চলের কৃষকরা বেশি মুনাফার আশায় আগাম আলু চাষ করে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, তারা হরতাল-অবরোধে ঢাকায় আলু সরবরাহ করতে পারেনি।
মৌসুমের প্রথম দিকে ওঠা আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করা হয় না জানিয়ে তিনি বলেন, এখনো পুরানো আলু স্টোরেজে রয়ে গেছে। সংরক্ষণের অভাবে বাজারে আলুর দাম কমে।
“মাথা ব্যথার ঔষধ মাথা কেটে ফেলা না। আমরা আলুর উৎপাদন কমাব না,” বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, পটাশ সারের ব্যবহারের ফলে আলুর উৎপাদন বেড়েছে। আমরা পটাশ সারের দাম ৭৫ টাকা থেকে ১৫ টাকা করেছি। কৃষকরা এখন এই সার বেশি ব্যবহার করতে পারে।
হিমাগারে থাকা পুরনো আলু এবং মৌসুমের নতুন আলু কিভাবে সংরক্ষণ করা যায়, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি মন্ত্রী।
তিনি বলেন, “আলু নিয়ে এই সমস্যা সরকার গভীরভাবে পর্বেক্ষণ করছে। আমরা তাদেরকে স্থানীয়ভাবে আলু সংরক্ষণের পরামর্শ দিয়েছি।”
আওয়ামী লীগ সরকারই আলু রপ্তানির ব্যবস্থা করেছে উল্লেখ করে মতিয়া বলেন, শিল্পের সঙ্গে যদি এর সংযোগ ঘটাই তাহলে উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার ২০ হাজার মেট্রিক টন আলু রাশিয়াতে রপ্তানি করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও তাইওয়ানেও আলু রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে।
আলু চাষিদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার ইচ্ছা আছে কি না- নোটিসে সেই প্রশ্ন থাকলেও এনিয়ে কোনো কথা বলেননি মন্ত্রী।
http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article742231.bdnews