Wednesday, February 12, 2014

নাইজেরিয়ার রেস্টুরেন্টে মানুষের মাংসের খাবার বিক্রি!

নাইজেরিয়ার এক রেস্টুরেন্টে মানুষের মাংস দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাবার বিক্রি করার দায়ে মালিকসহ ১১ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া পুলিশ আনামবারা এলাকার ওই রেস্টুরেন্টে তল্লাসি চালিয়ে কমপক্ষে দুটি মানুষের মাথা খুঁজে পায়। বুধবার ডেইলি মিরর পত্রিকায় এ খবর প্রকাশিত হয়েছে।
 
পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়, রক্তাক্ত মাথা দুটি একটি কাগজ দিয়ে মোড়ানো ছিল। পুলিশ বলছে, তেলে ভেজে আলাদা খাবার তৈরি করার জন্যই  মাথা দুটি রাখা হয়েছিল। এছাড়া খাবারের দোকানটি থেকে দুটি একে রাইফেল, আগ্নেয়াস্ত্র, কয়েক ডজন গোলা বারুদ এবং বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, রেস্টুরেন্টটিতে সবসময় রহস্যজনক মানুষদের আনাগোনা ছিল।
 
স্থানীয় এক যাজক খাবার খেতে ওই দোকানে ঢুকলে তাকে মানুষের মাংস দিয়ে তৈরি খাবার পরিবেশন করা হয় বলে তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ওই দোকানটিতে অভিযান চালায়।
 
ওই যাজক স্থানীয় ‘ইওর জিউস নিউজ’ পত্রিকাকে বলেন,‘ খাওয়া-দাওয়ার পর ওরা আমাকে বিল দিল। বিল দেখে তো আমার মাথায় হাত! আমি তখন এক কর্মচারীকে এত বেশি বিল হওয়ার কারণ জানতে চাইলাম। জবাবে সে জানায়, আমাকে মানুষের মাংস দেয়া হয়েছে। তার কথা শুনে আমি তো তাজ্জব হয়ে গেলাম।’ এ কথা জানার পর তিনি সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে থানায় যান এবং ওই রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
 
তবে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ কীভাবে মানুষের মাংস যোগাড় করতেন এ বিষয়ে ‘ডেইলি মিরর’ কিছু জানায়নি।

Monday, February 10, 2014

আলু নিয়ে মতিয়ার ‘বয়ান’


আলুর দাম পড়ে যাওয়াকে সাময়িক মনে করলেও কিভাবে সমস্যা উত্তরণ করা হবে, তা নিয়ে স্পষ্ট কিছুই বলেননি কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।
সোমবার সংসদে নূরল ইসলাম মিলন জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর মনোযোগ আকর্ষণের এক নোটিসে বলেন, ত্রুটিপূর্ণ বিপণন ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত সংরক্ষণাগার না থাকা এবং প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের অভাবে দেশের আলু চাষিরা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
তিনি আলু বর্তমান জটিলতার অবসানে রপ্তানির পক্ষে মত প্রকাশ করেন।
চলতি অধিবেশনে এর আগেও কয়েক দিন আলুর দাম নিয়ে কথা বলার পর সোমবার নোটিসের পর নাতিদীর্ঘ বক্তব্য দেন কৃষিমন্ত্রী।
আলুর দাম কমে যাওয়ায় রাস্তায় আলু ফেলে প্রতিবাদ জানান উত্তরবঙ্গের চাষিরা। মন্ত্রীর আশ্বাসের পরেও বাড়েনি আলুর দাম। আলু সংরক্ষণে নতুন করে কোনো উদ্যোগও নেয়নি সরকার।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, গত বছরের মে মাসে ঢাকায় হেফাজতে ইসলামীর সমাবেশ এবং জানুয়ারিতে বিরোধী দলের হরতাল-অবরোধের পর থেকে আলু পরিবহনে সমস্যা দেখা দেয়।
“ঢাকা, মেট্রোপলিটন শহরের হোটেল, ছাত্রাবাস বন্ধ থাকায় ভোক্তা পর্যায়ে আলুর ব্যবহার হ্রাস পায়। আলুর চপ, মাংসের সঙ্গে আলু, খাসির মাংসে আলু, বিরিয়ানীতে, বিয়ে বাড়িতে এবং লাবড়ায় আলুর ব্যবহার কমে যায়।”
ঢাকায় দুই কোটি লোক থাকে দাবি করে মতিয়া বলেন, “৫০ লাখ মানুষ যদি আলু না খায়, কী অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে?”
উত্তরাঞ্চলের কৃষকরা বেশি মুনাফার আশায় আগাম আলু চাষ করে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, তারা হরতাল-অবরোধে ঢাকায় আলু সরবরাহ করতে পারেনি।
মৌসুমের প্রথম দিকে ওঠা আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করা হয় না জানিয়ে তিনি বলেন, এখনো পুরানো আলু স্টোরেজে রয়ে গেছে। সংরক্ষণের অভাবে বাজারে আলুর দাম কমে।
“মাথা ব্যথার ঔষধ মাথা কেটে ফেলা না। আমরা আলুর উৎপাদন কমাব না,” বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, পটাশ সারের ব্যবহারের ফলে আলুর উৎপাদন বেড়েছে। আমরা পটাশ সারের দাম ৭৫ টাকা থেকে ১৫ টাকা করেছি। কৃষকরা এখন এই সার বেশি ব্যবহার করতে পারে।
হিমাগারে থাকা পুরনো আলু এবং মৌসুমের নতুন আলু কিভাবে সংরক্ষণ করা যায়, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি মন্ত্রী।
তিনি বলেন, “আলু নিয়ে এই সমস্যা সরকার গভীরভাবে পর্বেক্ষণ করছে। আমরা তাদেরকে স্থানীয়ভাবে আলু সংরক্ষণের পরামর্শ দিয়েছি।”
আওয়ামী লীগ সরকারই আলু রপ্তানির ব্যবস্থা করেছে উল্লেখ করে মতিয়া বলেন, শিল্পের সঙ্গে যদি এর সংযোগ ঘটাই তাহলে উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার ২০ হাজার মেট্রিক টন আলু রাশিয়াতে রপ্তানি করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও তাইওয়ানেও আলু রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে।
আলু চাষিদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার ইচ্ছা আছে কি না- নোটিসে সেই প্রশ্ন থাকলেও এনিয়ে কোনো কথা বলেননি মন্ত্রী।
http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article742231.bdnews

তারুণ্য ধরে রাখে পেয়ারা

বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে মৌসুমি ফল পেয়ারা। জনপ্রিয় সবুজ এ ফলটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিগুণেও অতুলনীয়। পেয়ারাতে অাঁশ, পানি, কার্বহাইড্রেট, পোট্রিন ভিটামিন 'এ', ভিটামিন 'কে', পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি খাদ্য উপাদান রয়েছে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ময়েশ্চার, যা তারুণ্য বজায় রাখে দীর্ঘদিন। এছাড়া পেয়ারায় ভিটামিন 'বি' ও প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ বিদ্যমান। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পেয়ারা বেশ উপকারী। এতে ইনফেকশনরোধী উপাদান থাকায় হজমক্রিয়া শক্তিশালী করে। হার্টের রোগীদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ পথ্য। ওজন কমাতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং মুখের রুচি বাড়াতে জুড়ি নেই পেয়ারার। এটি ত্বক, চুল ও চোখের পুষ্টি জোগায়। ডায়াবেটিস, ক্যানসার, প্রস্টেট ক্যানসারের মতো রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে পেয়ারা। একটি পেয়ারায় রয়েছে চারটি কমলালেবুর সমান পুষ্টিগুণ। তাই সপ্তাহে অন্তত একটি করে হলেও পেয়ারা খাওয়া উচিত বলে পুষ্টিবিজ্ঞানীরা মতামত দিয়েছেন। সূত্র : ওয়েবসাইট

এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে 'এলিয়েন'

সদ্য শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে এলিয়েন।  তার চেহারার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এলাকায় এই নামে পরিচিত হলেও তার আসল নাম আমির হামজা। আমির সদর উপজেলার দেহন রওশনপুর দাখিল মাদ্রাসার মেধাবী ছাত্র। সে দেহন গ্রামের বিজিবি সদস্য শমসের আলীর ছেলে। কোনো বিষয়ে একবার ধারণা নিলে তা পরে সে হুবহু তুলে ধরতে পারে আমির। এটা তার বিশেষ গুণ।

এলাকাবাসী জানায়, আমির ছোট থেকেই খুব মেধাবী। তবে তার সঙ্গে এলাকার ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করতে ভয় পেত। এ কারণে আমির সব সময় বাড়িতেই থাকত। তাকে সবাই এলিয়ন বলে চেনে।

আমিরের মা সাথে কথা বলে জানা যায়, আমির আমাদের পরিবারের লক্ষ্মী। আমরা পরিবারের কোনো সিদ্ধান্ত নিতে আমিরের সঙ্গে কথা বলি আগে। কারণ আমির সব সময় সঠিক সিদ্ধান্ত দিত।তিনি আরও জানান, ছোটবেলায় আমির অনেক অসুস্থ ছিল। এখনো সে অসুস্থ। তবে আমিরের পরিবারের অন্য সদস্যরা সুস্থ।

রওশনপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার আ. রাজ্জাক  জানান, আমির হামজা প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়ের কৃতী ছাত্র হিসেবে বরাবরই প্রথম স্থান লাভ করেছে। পরে শারীরিক বিভিন্ন রোগের কারণে সে পিছিয়ে পড়ে। তার পরও সে কৃতিত্বের সঙ্গে দাখিল পরীক্ষা পাস করবে বলে জানান তিনি।

Sunday, February 9, 2014

দাঁতের রং নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? লেবুতেই সমাধান

দাঁতের রং নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। বিশেষ করে ধূমপানসহ অনুরূপ বিভিন্ন কারণে অনেকের দাঁত হলুদ হয়ে যায়, যা সামাজিক জীবনে সমস্যা তৈরি করে এবং আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। কিন্তু আপনি জানেন কি, এ সমস্যা সমাধানে খুবই কার্যকর ও সহজ সমাধান লেবু। এ বিষয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে টাইমস অফ ইন্ডিয়া।
অনেকেই দাঁতের এ সমস্যা সমাধানে সময় ও অর্থ ব্যয় করে ডেন্টিস্টের কাছে যেতে চান না। তাদের জন্যও এ ঘরোয়া সমাধান খুবই কাজে লাগতে পারে। তবে আপনার দাঁতে আগে থেকে অন্য কোনো সমস্যা থাকলে এ পদ্ধতি প্রয়োগের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
যেভাবে করবেন-
-একটি কাপে লেবুর রস নিয়ে সেখানে কিছুটা পানি মিশিয়ে দিন।
-দিনে দুইবার দাঁত ব্রাশ করার পর মুখ ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করুন।
-তারপর সেই লেবুর রস আপনার দাঁতে মাখিয়ে নিন এবং প্রয়োজনে হালকা করে ম্যাসেজ করে নিন প্রতিবার দাঁত ব্রাশ করার পর।
-ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

Friday, February 7, 2014

হিজাব পরায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস থেকে বের করে দিলেন শিক্ষক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সরকার ও রাজনীতি বিভাগে হিজাব পরায় কয়েকজন ছাত্রীকে গালমন্দ করে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছেন অধ্যাপক খুরশিদা বেগম। এদিকে এ ঘটনায় তোলপাড় হলে উল্টো ছাত্রীদেরকেই ক্ষমা চাইতে হয়েছে ওই অধ্যাপকের কাছে। সোমবার ক্লাস প্রেজেন্টেশন (উপস্থাপনা) করতে গেলে হিজাব পরা ছাত্রীদের নিয়ে তিনি কটূক্তি করেন এবং তাদেরকে ক্লাসরুম থেকে বের করে দেন। এরপর গতকাল আবার শিক্ষার্থীদেরকে তার কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করেন। নিজের দোষ ঢাকতে ওই অধ্যাপিকা ফোনে হত্যার হুমকির নাটক সাজিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অধ্যাপিকা খুরশিদা বেগমের ক্লাসে ছাত্রীরা ওড়না দিয়ে মাথা ঢেকে রাখলেও তাদের নিয়ে কটূক্তি করেন তিনি। তাদের তিনি মৌলবাদী, জামায়াত, জঙ্গি, কোটরের মুরগি, অসামাজিক ইত্যাদি বলে গালাগালি করতে থাকেন। সোমবার মাস্টার্সের (৩৮তম ব্যাচ) ৫০৫ নং কোর্স ‘রেস অ্যান্ড এথনিক পলিটিক্স’-এর ক্লাস নেয়ার সময় তিনি আবারও হিজাব পরা ছাত্রীদের নিয়ে কটূক্তি করেন। এর আগেও তিনি বিভিন্ন ব্যাচের বোরকা পরা ছাত্রী নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেছেন বলে একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন। তবে সোমবার ওই শিক্ষিকা হিজাব সংক্রান্ত কটূক্তির পর ছাত্রছাত্রীদের রোষানলের মুখে পড়েন। এরপর তিনি ভিআইওপি কলের মাধ্যমে তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানান। তিনি অভিযোগ করেন মোবাইলে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে। হিজাব নিয়েও কথা বলতে নাকি নিষেধ করা হয়েছে। তবে খুরশিদা বেগমের এই অভিযোগকে সাজানো নাটক বলে মন্তব্য করেছেন একাধিক শিক্ষার্থী।
এদিকে অধ্যাপিকা খুরশিদার মোবাইল এখনও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট জমা আছে বলে জানা গেছে। লাঞ্ছিত ছাত্রীদের সূত্রে জানা যায়, সোমবার হিজাব পরা ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে খুরশিদা বলেন, যারা হিজাব পরে তাদের মস্তিষ্ক অবরুদ্ধ, তারা অন্তঃসারশূন্য। যারা ক্লাসে হিজাব পরে আসবে তাদের প্রেজেন্টেশন (উপস্থাপনা) আমি নেবো না। যাদেরকে আমার ভাল লাগে না তাদেরকে আমি ক্লাসে কথাও বলতে দেবো না। এমনকি তাদেরকে শ্রেণীকক্ষের অন্য শিক্ষার্থীদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে বলেন তিনি। ওই ছাত্রীদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, যে মেয়েরা হিজাব পরে তারা ক্ষেত, প্যাকেটের মতো মোড়ানো, তাদের মধ্যে কোন আধুনিকতা নেই। এসব মেয়েদের ক্লাস নেবে তেঁতুল হুজুররা। আমি যাদের পড়াবো তাদেরকে সালোয়ার কামিজ অথবা শাড়ি পরে আসতে হবে। এটা আমার ক্লাস, এখানে শুধুই আমার কর্তৃত্ব। ওই শিক্ষক এ ধরনের মন্তব্য করলে হিজাব পরা ছাত্রীরা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আমাদের পর্দা করার স্বাধীনতা আছে। তাই বলে আপনি আমাদেরকে অন্য পোশাক পরে আসতে বাধ্য করতে পারেন না। তাদের এই কথায় অধ্যাপক খুরশিদা বেগম আরও রাগান্বিত হয়ে সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীদের রুমে ডেকে নিয়ে আবারও হিজাবের সমালোচনা করেন। তিনি এসব ছাত্রীকে সালোয়ার কামিজ অথবা শাড়ি পরার জন্য পরামর্শ দেন। এ নিয়ে তোলপাড় হলে গতকাল বুধবার তিনি ওই শিক্ষার্থীদেরকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করেন বলে সূত্র জানায়। অধ্যাপক খুরশিদার এমন আচরণের বিষয়ে এক ছাত্রী বলেন, আমরা ধর্ম পালন না করলেও তার যেমন কিছু করার নেই তেমনি আমরা ধর্ম পালন করলেও তার কিছুই করার কথা নয়। কারণ ধর্ম যার যার ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিষয়। এ বিষয়ে অধ্যাপক খুরশিদা বেগমের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পরে কথা বলবো। ঘটনার বিষয়ে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সভাপতি বশির আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অধ্যাপিকা খুরশিদার যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল তা শিক্ষার্থীরা মিটিয়ে নিয়েছে। এরপর তৃতীয় ব্যক্তি ম্যাডামের ফোনে বিভিন্ন স্থান থেকে ফোন করে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেছে এবং হত্যার হুমকি দিয়ে ক্ষুদে বার্তাও পাঠিয়েছে। অধ্যাপিকা খুরশিদাকে হত্যার হুমকির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কোন ব্যবস্থা নিয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে বিভাগের সভাপতি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে এবং তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতিও তার হত্যার হুমকির নিন্দা জানিয়েছে বলে জানান তিনি।

টাঙ্গাইলে মাথা ও হাত-পা বিহীন লাশ উদ্ধার

টাঙ্গাইল পৌর এলাকার পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া থেকে মাথা ও হাত পা বিহীন এক অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে টাঙ্গাইল মডেল থানা পুলিশ।

শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন রাস্তায় হাটতে বের হয়ে একটি রক্তাক্ত বস্তা পরে থাকতে দেখে। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে বস্তা খুলে মাথা ও হাত-পা বিহীন এক উলঙ্গ পুরুষের লাশ উদ্ধার করে।

লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশটির কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি ও মামলা হয়নি।